দেখতে কায়রো বা দামাস্কাসের মতো পুরনো না হলেও, প্রাচীন আরেবিয়ার মতোই ঘিঞ্জি আর নোংরা বাগদাদের আল-রিসাফা। টাইগ্রিস নদীর পুব দিকে শিয়া অধ্যুষিত এই পাড়াতেই বাস থেকে নেবে গেলেন শেখ হামজা আর আবিদা। আল-রসুল মসজিদের অলিগলিতে সকালের বাজার বসেছে, দোকানির চেয়ে ভিখিরির সংখ্যাই বেশি। স্তুপাক্রিত জঞ্জালের গায়ে চুনোপুঁটি সাজিয়ে হাঁকডাক শুরু করে দিয়েছে অল্পবয়িসি এক মা আর তার বিকলাঙ্গ সন্তান। শাকসবজির ঠেলার ওপর হামলে পড়েছে বোরখা-চাদর পরা খদ্দেরের দল।
মারাত্মক খুনখারাপি হয়েছিল এখানে, তারিক সাহেব বলছিলেন। শিয়া জঙ্গিদের হাত থেকে অঞ্চলটাকে ছিনিয়ে নিতে মাথার ঘাম ফেলতে হয়েছিল মেরিনদের। এখনও মাসে খান দুই সুইসাইড বোমা ফাটে, মুক্তিযুদ্ধের হুমকি দিয়ে খুতবা সারেন মসজিদের ইমাম। উনি যাবেন নদীর পশ্চিম দিকে, আল-খারক, মানে বাগদাদের অপেক্ষাকৃত সচ্ছল এলাকায়। ওখানেই যাবতীয় সরকারি দপ্তর, এয়ারপোর্ট, নামজাদা হোটেল। প্রাচীন আব্বাসিদ প্রাসাদের সংলগ্ন সাদ্দামের প্রাসাদ।
Write a comment ...