নিমরুদের লাগোয়া গ্রামে আমেরের পৈত্রিক বাড়ি। উট বেচাকেনার নামকরা মেলা বসতো এখানেই। এখন লাগাতার বোমাবর্ষণে সেই মেলার মাঠে খানাখন্ধ। গুটিকতক পরিবার এখনও মাটি কামড়ে পড়ে আছে, আয় বলতে মেরিন ক্যাম্পের ব্যাগার খাটা আর কিচেনের আনাজপাতি সাপ্লাই। বেশকিছু বর্গমাইলের মধ্যে এটাই ইরাকিদের একমাত্র বাসস্থান, ক্যাম্পের নর্তকী কাঁটাতারের বাইরে থাকলে থাকবে এখানেই।
আব্বাস ভেঙে না বললে কী হবে, গ্রামের মহিলারা জানবে অবশ্যই, বহিরাগত কেউ ওদের দৃষ্টি এড়াতে পারবে না।
“ওদের সত্যি কথা বলাই ভাল। বলবে আমি রিপোর্টার, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির হিসেব নিতে এসেছি।” আমেরকে বুঝিয়ে দেয় তেজো। “আলাপ পরিচয় হয়ে গেলে কথায় কথায় জেনে নেবো মেয়েটাকে কেউ দেখেছে কি না।”
এ গ্রামের মানুষ কিন্তু বেজায় সেয়ানা, ব্যাজার মুখে বলে আমের। চট করে বুঝে ফেলবে আসল উদ্দেশ্য কী। সিয়াইএ-র মুখোমুখি বসতে হয়েছে তো, তাই বাঁকা প্রশ্ন এড়াতে অভস্থ।
“আমাকে সিয়াইএ ভাবার কারণ আছে কি?”
“সব প্রশ্নকর্তাকেই এরা সন্দেহ করে। প্রশ্নের জবাব দিয়ে মন্দ বই ভাল হয়নি বলেই।”
Write a comment ...