দূরত্বের বিচারে টার্কির বর্ডারই সবচেয়ে কাছে। কিন্তু পথে জাব-আল-কাবির। কুর্দি পেশমেরগা যোদ্ধারা ওই নদীর দু’ধারে ঘাঁটি গেড়ে বসেছে, মোটা টাকার বিনিময়ে ইরাকি রিফিউজিদের পালাবার রাস্তা খুলে দিচ্ছে। নবীন ইরাক রাষ্ট্রের বিরোধী এবং আমেরিকার বন্ধু হলেও, ওদেরকে বিশ্বাস করা সমীচীন হবে না। টার্কির সীমানায় ছোটখাটো সংঘর্ষ লেগেই আছে, গুপ্তচর সন্দেহে বাদামি চামড়ার দুই মেয়েকে আটক করতেই পারে কুর্দ বাহিনী। ভালোয়-ভালোয় বর্ডার পার করলেও, রাজধানী আঙ্কারা পৌঁছতে সময় ও সম্বল দু’ই প্রয়োজন, প্রেসের লোক বলে জোর খাটাতে পারবে না তেজো।
ব্রুস বা জনের মতো গাড়ি কিনে কুয়েটের রাস্তা ধরলে কেমন হয়, প্রস্তাবটা তুলতেই হাঁহাঁ করে উঠেছিল আমের। মাত্র সপ্তাহখানেক আগে জঙ্গি ইসলামিরা দখল করে নিয়েছে ইরাকের সবচেয়ে উর্বর বাগদাদের দক্ষিণপূর্ব অঞ্চল। ওটাই আগামী যুদ্ধের ফ্রন্টলাইন।
“জঙ্গিরা ঠিক কী চায় কেউ জানে না। সৌদি ইমামদের সঙ্গে তাল্লুক নেই, নাজাফের আয়াতোল্লাদের এরা তোয়াক্কা করে না, এ এক আজব ইসলাম। বেশি বেশি খুন করে তাড়াতাড়ি বেহেস্তে যাও, এটাই একমাত্র বিচার!”
কুয়েট থেকে ফিরতি পথে ড্রাইভার মাসুদের কথা মনে পড়ে যায়.... ‘মরতে চাও তো বল, এখানেই নামিয়ে দিচ্ছি।’ ক্যাথলিক সিস্টারদের গলা কাটা ধড়গুলো এখনও পচে গলে গির্জার চাতালে পড়ে আছে ভেবে শিউরে ওঠে তেজো।
“তার চেয়ে বরং কমান্ডারকে পটিয়ে মেরিন হেলিকপ্টার ধরা...”
Write a comment ...